রোববার, ১২ জুলাই ২০২০, ২৮ আষাঢ় ১৪২৭

আকবর আলী গ্রেটদের তালিকায়

ক্রিকেটে এমন ঘটনা হরহামেশাই ঘটে, যুব দলে আলো ছড়িয়েও আন্তর্জাতিক আঙিনায় সাফল্য পাওয়া হয় না অনেকের। প্রতিভা হারিয়ে যাওয়ার উদাহরণ আছে ভুরি ভুরি। তবে যুব দলের পর বিশ্বমঞ্চেও নিজেকে গ্রেট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার নজিরও কম নয়।

আগামী দশকে গ্রেট ক্রিকেটার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারেন, এমন ২০ জনকে নিয়ে একটি তালিকা করেছে মাসিক ক্রিকেট ম্যাগাজিন ‘ইএসপিএনক্রিকইনফো’। সোমবার প্রকাশিত এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলী।

উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যানের ক্ষুরধার নেতৃত্বেই ফাইনালে ভারতের মতো দলকে হারিয়ে প্রথমবারের বিশ্বকাপ জেতে বাংলাদেশ যুব দল। শিরোপা লড়াইয়ে ব্যাট হাতেও সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, খেলেন হার না মানা ৪৩ রানের ইনিংস।

১৮ বছর এই বয়সেই দারুণ পরিণত আকবর। ভারতের দুইবারের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো চাপের মুখে মাথা ঠান্ডা রাখতে পারার অনন্য এক গুণ আছে তার। সেইসঙ্গে নিখুঁত ব্যাটিং টেকনিক, টেম্পারমেন্ট তাকে আলাদা করেই পরিচিতি দিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটে।

তালিকায় আকবরের সঙ্গে থাকা বাকি ১৯ জন ক্রিকেটার হলেন-ভারতীয় ব্যাটসম্যান শুভমান গিল, ইংলিশ ব্যাটসম্যান টম ব্যান্টন, আফগানিস্তানের বাঁহাতি স্পিনার নুর আহমেদ, পাকিস্তানি পেসার নাসিম শাহ, অস্ট্রেলিয়ার উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জস ফিলিপ, নিউজিল্যান্ড অলরাউন্ডার রাচিন রবীন্দ্র, ভারতীয় পেসার কার্তিক ত্যাগি, ইংলিশ ব্যাটসম্যান ওলি পোপ, আফগানিস্তানের ব্যাটসম্যান ইব্রাহিম জাদরান, দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার জেরাল্ড কোয়েটজি, ভারতীয় ব্যাটসম্যান জশস্বি জসওয়েল, আফগানিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান রহমানুল্লাহ গুরবাজ, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার জডেন সিলস, পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান হায়দার আলি, আফগানিস্তানের লেগস্পিনার কায়েস আহমেদ, অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান জেক ফ্রেসার-ম্যাকগার্ক, ভারতীয় ব্যাটসম্যান পৃথ্বি শ, পাকিস্তানি পেসার হারিস রওফ এবং শ্রীলঙ্কার বাঁহাতি স্পিনার লাসিথ এম্বালদেনিয়া।

এই ভবিষ্যত তারকা নির্বাচনে নির্দিষ্ট কোনো বয়স বিবেচনায় আনেনি ক্রিকইনফো। তালিকায় সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার-আফগানিস্তানের ১৫ বছর বয়সী নুর আহমেদ এবং সর্বজৈষ্ঠ পাকিস্তানের ২৬ বছর বয়সী পেসার হারিস রওফ।

এই তালিকায় আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ক্রিকেটারও আছেন। তবে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ সালের মধ্যে যারা পাঁচটি টেস্ট, সাতটি ওয়ানডে আর সাতটি টি-টোয়েন্টির কম খেলেছেন; তাদেরকেই কেবল বিবেচনায় আনা হয়েছে।

তালিকাটি তৈরি করতে ‌ক্রিকইনফো মতামত নিয়েছে বিশ্বের ১৫ জন কোচ, খেলোয়াড়, স্কাউট, অ্যানালিস্ট এবং অবজারভারের। তারা হলেন-টম মুডি, মাইক হেসন, দ্বীপ দাসগুপ্ত, এইচডি অ্যাকারম্যান, ইয়ান বিশপ, এআর শ্রীকান্ত, টিম উইগমোর, রাসেল আর্নল্ড, পরস এমহাব্রে, হাসান চিমা, শ্রীনাথ বেষ্যম, তামিম ইকবাল, এন্ডি মোলস, জেরোড কিম্বার এবং রবিন পিটারসন।