রোববার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

করোনার কার্যকরী ভ্যাকসিনের সুখবর আসছে শুরু করেছে

নিজস্ব সংবাদদাতা : বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। ইতোমধ্যে পুনরায় লকডাউনসহ কড়াকড়ি আরোপ করেছে একাধিক দেশ। যারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছিল তারা পুনরায় বন্ধ ঘোষণা করা শুরু করেছে। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে আবারও স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এ নির্দেশ বলবৎ থাকবে।

এদিকে সুখবর হচ্ছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি মহামারি করোনার ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার খবর আসছে। ভ্যাকসিনটি ৬০ থেকে ৭০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করছে। এতে করে এই আশা তৈরি হয়েছে যে, করোনায় সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা এসব মানুষ হয়তো এই ভ্যাকসিনের মাধ্যমে সুরক্ষা পাবেন। খবর বিবিসি অনলাইনের।

অপরদিকে, সম্ভাব্য ভ্যাকসিন প্রায় ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে কার্যকর বলে দাবি করেছে ভ্যাকসিনটির প্রস্তুতকারক মার্কিন জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি মর্ডানা। বিবিসির সোমবারের এক অনলাইন প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, বিখ্যাত ব্রিটিশ চিকিৎসা বিষয়ক জার্নাল ল্যানচেটে প্রকাশিত দ্বিতীয় দফার ফলাফলে ভ্যাকসিনটির ডোজ নেয়া ৫৬০ সুস্থ স্বেচ্ছাসেবীর এ সংক্রান্ত যেসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তা ‘আশা জাগানিয়া’। এ ছাড়া এই ভ্যাকসিনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই বলে ল্যানচেটে পিয়ার রিভিউ হওয়া ফলাফলে জানানো হয়েছে।

বিবিসির ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী ভ্যাকসিনটি যারা নিচ্ছেন তাদের শরীরে বৃহৎ পরিসরে মহামারি কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ ঘটে কিনা; তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই বিষয়টিও দেখার চেষ্টা করছেন গবেষকরা। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই সংক্রান্ত প্রাথমিক ফলাফল পাওয়ার আশা করছেন তারা।

ইতোমধ্যে তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের প্রাথমিক ফলে দেখা যাচ্ছে, ফাইজার-বায়োএনটেক, রাশয়ার স্পুটনিক এবং মডার্নার তৈরি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৯০ এর বেশি। এর মধ্যে একটি অর্থাৎ ফাইজার-বায়োএনটেকের তৈরি ভ্যাকসিনটি ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে ৯৪ শতাংশ কার্যকর বলে জানানো হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি টিকার সরবরাহ শুরু করেছে। প্রথম ধাপে চারটি রাজ্যে রোড আইল্যান্ড, টেক্সাস, নিউ মেক্সিকো এবং টিনেসি অঙ্গরাজ্যে তাদের তৈরি টিকার পরীক্ষামূলক সরবরাহের পাইলট কর্মসূচি চালু করেছে।

তবে এই সরবরাহ প্রক্রিয়ায় সমস্যা হচ্ছে তাপমাত্রা। ফাইজার উদ্ভাবিত টিকা সংরক্ষণ করতে হয় মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। অন্য সাধারণ টিকা রাখা হয় ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এক্ষেত্রে ফাইজারের এই টিকা সাধারণ ওষুধ বিতরণকারীদের কাছে রাখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে এ তথ্য জানা গেছে।

ওদিকে, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষকরা বলছেন, বিখ্যাত ব্রিটিশ চিকিৎসা বিষয়ক জার্নাল ল্যানচেটে প্রকাশিত দ্বিতীয় দফার ফলাফলে ভ্যাকসিনটির ডোজ নেয়া ৫৬০ সুস্থ স্বেচ্ছাসেবীর এ সংক্রান্ত যেসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তা ‘আশা জাগানিয়া’। এ ছাড়া এই ভ্যাকসিনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই বলে ল্যানচেটে পিয়ার রিভিউ হওয়া ফলাফলে জানানো হয়েছে।

বিবিসির ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী ভ্যাকসিনটি যারা নিচ্ছেন তাদের শরীরে বৃহৎ পরিসরে মহামারি কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ ঘটে কিনা; তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই বিষয়টিও দেখার চেষ্টা করছেন গবেষকরা। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই সংক্রান্ত প্রাথমিক ফলাফল পাওয়ার আশা করছেন তারা।

ইতোমধ্যে তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের প্রাথমিক ফলে দেখা যাচ্ছে, ফাইজার-বায়োএনটেক, রাশয়ার স্পুটনিক এবং মডার্নার তৈরি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৯০ এর বেশি। এর মধ্যে একটি অর্থাৎ ফাইজার-বায়োএনটেকের তৈরি ভ্যাকসিনটি ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে ৯৪ শতাংশ কার্যকর বলে জানানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.