নাগরপুরে ছেলের মৃত্যু সইতে না পেরে মারা গেলেন মা

নাগরপুর প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের নাগরপুরে শামছুল মিয়া (৫৫) নামে এক ছেলের মৃত্যু দেখে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মা ফাতেমা বেগম (৭৫) মারা গেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্বাস্থ্যকর্মীরা এসে স্বাভাবিক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করলে তাদের জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। সোমবার দুপুরে নাগরপুর উপজেলার বেকড়ার মুশুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। একই সময়ে মা ও ছেলের এমন করুণ মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রোকনুজ্জামান খান নিউজ টাঙ্গাইলকে বলেন, আমি স্বাস্থ্যকর্মী পাঠিয়ে খোঁজ নিয়েছি, শামছুল দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস রোগে ভুগছিলেন। আর শামসুলের মা চোখের সামনে ছেলের এমন মৃত্যু দেখে সহ্য করতে পারেননি। তাৎক্ষণিকভাবে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনিও মারা যান। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

বেকড়া আটগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মো. শওকত হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মুশুরিয়া গ্রামের মৃত তালেবর মিয়ার ছেলে শামছুল মিয়া বেশ কিছু দিন ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাসায়ী ছিলেন। অসুস্থ অবস্থায় তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় কয়েকদিন আগে বাড়িতে চলে আসেন। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি মারা যান। চোখের সামনে ছেলের মৃত্যু সহ্য করতে না পেরে মা ফাতেমা বেগম হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।