শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ২১ আশ্বিন ১৪২৯

বেঁচে আছেন এ টি এম শামসুজ্জামান, ইবাদাত করে কাটছে দিন

মারা গেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। এমন খবরে ফেসবুক সয়লাব হয়ে গেছে শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যার পর থেকে। এমন গুজবে বিরক্তি জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই অভিনেতার পরিবারের সদস্যরা।

এটিএম শামসুজ্জামানের স্ত্রী রুনী জামান করেছেন, তার স্বামী এই করোনার দিনগুলোতেও বেশ ভালো আছেন।

তিনি বলেন, ‘এটা খুবই হতাশাজনক ব্যাপার। লোকজন একজন গুণি মানুষের মৃত্যু নিয়ে গুজব ছড়ান দুদিন পরপর। কোনো রকম তথ্য নিশ্চিত না হয়ে এ ধরনের খবর ছড়ানো অন্যায়। তিনি ভালো আছেন। ইবাদাত বন্দেগী করে কাটছে তার দিন।’

মৃত্যুর গুজব না ছড়িয়ে এটিএম শামসুজ্জামানের জন্য দোয়া করতে পরামর্শ দিয়েছেন রুনী জামান।

প্রসঙ্গত, এটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র জীবনের শুরু ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধূরির ‘বিষকন্যা; চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে। প্রথম কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছেন ‘জলছবি; চলচ্চিত্রের জন্য।

ছবির পরিচালক ছিলেন নারায়ণ ঘোষ মিতা, এ ছবির মাধ্যমেই অভিনেতা ফারুকের চলচ্চিত্রে অভিষেক। এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনী লিখেছেন। প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন তিনি।

অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালের দিকে। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ চলচ্চিত্রে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনা আসেন তিনি।

১৯৮৭ সালে কাজী হায়াত পরিচালিত দায়ী কে? চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। রেদওয়ান রনি পরিচালিত ‘চোরাবালিতে’ অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব-চরিত্রে অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।

এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় আরেক বরেণ্য অভিনেতা ও সংস্কৃতি জন হাসান ইমামেরও মৃত্যু গুজবও ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেশ ভালো আছেন এই অভিনেতা।