সখীপুরে প্রতিভাবান এক বাচিক শিল্পীর কথা

বাচনিক কলা কৌশল সমৃদ্ধ কন্ঠস্বর, প্রমিত উচ্চারণ, মেধা, আবেগ, অনুভূতির সংমিশ্রণে কোন কাব্য, গল্পাংশ, বা বক্তব্য পাঠান্তে শ্রোতাদের মন আকৃষ্ট করাকেই আবৃত্তি বলে।

আবৃত্তি শিল্পটা আপাঃ দৃষ্টিতে সহজবোধ্য মনে হলেও ইহা খুবই কষ্টসাধ্য! যে জন্য আমাদের দেশে সচরাচর ভালো আবৃত্তিকার মেলানো খুবই কঠিন। আবৃত্তির দিক থেকে ভারত, জাপান এগিয়ে থাকলেও বাংলাদেশেও এর চর্চা আদিকাল থেকেই অব্যাহত।

সম্প্রতিক সময়ে টাংগাইলের সখীপুর উপজেলার বজলুর রহমান খোকন একজন নবীণ ও প্রতিভাবান আবৃত্তিকার। যার বচণভঙ্গী এবং কন্ঠ মাধুরতায় প্রতিদিন আপ্লুত হচ্ছে শত শত আবৃত্তিপ্রেমীগণ! সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি জানান, কঠোর পরিচর্যা এবং দৃঢ় মনোবলের কারণেই আজকে তিনি সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছেন।

উচ্চারণ আবৃত্তি পরিষদের ব্যানারে দেশ বিদেশের কবি সাহিত্যিক এবং শুভানুধ্যায়ীগণ অনলাইনের মাধ্যমে কবিতা আবৃত্তির অর্ডার করছেন!

এছাড়াও জাতিয় পর্যায়ের স্টেজ প্রোগ্রামগুলোতেও তিনি আবৃত্তি করে বেশ সুনাম অর্জন করছেন! ভরাট ও সুললিত কন্ঠের এই বাচিক শিল্পী মৌলিক, রোমান্টিক ও দ্রোহ, সব দিকেই যেন তুমুল পারদর্শী! জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ের করোনা পরিস্থিতির কারণে তিনি সখীপুর গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন! তিনি সখীপুরের সাংস্কৃতিক অঙ্গ সংগঠন এবং এ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধৈর্য ও মেধা দিয়ে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলার অনুরোধ করেন এবং উদ্ভুত মহামারী কেটে গেলে পুনঃ সংস্কৃতি চর্চায় নিজেকে নিবেদিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।